কবিতা লিখি ভালোবেসে
নতুন কোনো অমরত্ব খুঁজি না আর, কবিতা লিখি ভালোবেসে।
আদি গঙ্গা-র ন্যায় স্বচ্ছ সুনির্মল এক মুরশিদ সঙ্গী
সেই আমাদের পথ চলা
জানি না বাকি যাত্রাটুকু কী…
দুই জনে কবে সেই প্রথম হাত ধরেছি…
যা-কিছু বলার, তার সামান্যই মুখে বলি
বাকি কথা লিখে রাখি খাতায় আর কলমে
এত্ত মজা!
এরপরও অমরত্ব অমরত্ব কর?
কর!
তবে কবিতা লেখা হয়ে ওঠেনি একটিও
মুখোমুখি আমরা আজ নত হতে পারি না?
একটার পর একটা জন্ম
একটার পর একটা জন্ম
অথচ আমাদের এভাবেই কেটে গেল।
মানুষের থেকে কোনো প্রত্যাশা নেই
ভেবেছি যত,
জীবন রঙহীন তত ভীষণরকমের
জখম হয়েছি।
নিজে কী সামান্য অথচ ঈশ্বরের সমকক্ষ ভেবেছি।
আর দুর্ভোগের শেষ নেই…
আমার অখণ্ড একার স্বপ্ন আদতে যে কত সুন্দর
তা তুমি জানবে না!
সীমাহীন এক সীমান্তরেখা
একটা সময় পর
তোমার আমাকে বিরক্তিকর মনে হবে,
তাই তার আগেই তোমাকে অতীষ্ঠ করে তুলছি আমি
যতখানি প্রয়োজন কাছাকাছি ছুঁয়ে থাকা
দূরত্ব ভালোবাসায় প্রয়োজন ততাধিক ঠিক
গন্তব্যের আরও কাছাকাছি সীমাহীন এক সীমান্তরেখা…
একাকী একা-কে বলছি আর—
শুধু তোমারই জন্য আজন্মকাল প্রতীক্ষারত
এই যোগ্যতম!
ছবি – রবি ঠাকুর